কলকাতা : এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) বনাম তৃণমূল মামলার শুনানি চলাকালীন এজলাসে বেনজির বিশৃঙ্খলা দেখা দিল। চেয়ার ছেড়ে উঠে গেলেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ।
তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ‘চুক্তিবদ্ধ’ ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন ও সংস্থাটির সল্টলেকের অফিসে ইডির হানায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার পরেই অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই ইডিকে ব্যবহার করে ভোটের রণকৌশল, প্রার্থী তালিকা বিজেপি চুরি করছে বলে অভিযোগ তুলে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পালটা ইডির দাবি, কয়লা পাচার মামলায় এই অভিযান। গোটা ঘটনার জল গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট পর্যন্ত।
আইপ্যাকের অফিস এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি-র অভিযানকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করা হয় শাসক শিবিরের তরফে। আবেদনে তৃণমূলের দাবি ছিল, আইপ্যাক তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আগে আইপ্যাকের কাছে দলের নানা তথ্য, নথি ছিল। বিজেপি ইডিকে কাজে লাগিয়ে সেসব লুটের চেষ্টা করেছে বলেও অভিযোগ জানানো হয়।
পালটা তদন্তে বাধার অভিযোগ নিয়ে হাই কোর্টে যায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও। ঘটনায় সিবিআই তদন্ত জানিয়ে মামলা দায়ের করে। শুক্রবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে দুটি মামলারই একসঙ্গে শুনানি হওয়ার কথা ছিল।

