বক্সিং ডে-তে ইতিহাস ইংল্যান্ডের। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ১৫ বছর পর টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল ইংল্য়ান্ড। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে চার উইকেটে হারল অস্ট্রেলিয়া। সংক্ষিপ্ত টেস্ট। দু’দিনের টেস্ট ম্যাচ জেতার জন্য দুই দলই ছিল। আগের তিন টেস্টে হারের ফলে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছিল ইংল্যান্ড। সেখান থেকে কিছুটা সম্মান ফিরল ইংরেজ ক্রিকেটারদের। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৩২ রানে ইংল্য়ান্ড অস্ট্রেলিয়াকে শেষ করে দেয়। প্রথম দিনেই ২০ উইকেট পড়ার পর, দ্বিতীয় দিনও বোলারদের আধিপত্য ছিল। অ্য়াশেজের চতুর্থ টেস্টে ১৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেই জিতল ইংল্য়াল্ড। বর্ষ শেষের এই ম্য়াচ দেখার জন্য উপচে পড়েছিল গ্যালারি। রেকর্ড সংখ্যক দর্শক ছিল। সেই সংখ্যা ৯২,০৪৫।
বক্সিং ডে-তে ইতিহাস ইংল্যান্ডের। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ১৫ বছর পর টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল ইংল্য়ান্ড। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে চার উইকেটে হারল অস্ট্রেলিয়া। সংক্ষিপ্ত টেস্ট। দু’দিনের টেস্ট ম্যাচ জেতার জন্য দুই দলই ছিল। আগের তিন টেস্টে হারের ফলে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছিল ইংল্যান্ড। সেখান থেকে কিছুটা সম্মান ফিরল ইংরেজ ক্রিকেটারদের। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৩২ রানে ইংল্য়ান্ড অস্ট্রেলিয়াকে শেষ করে দেয়। প্রথম দিনেই ২০ উইকেট পড়ার পর, দ্বিতীয় দিনও বোলারদের আধিপত্য ছিল। অ্য়াশেজের চতুর্থ টেস্টে ১৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেই জিতল ইংল্য়াল্ড। বর্ষ শেষের
এই ম্য়াচ দেখার জন্য উপচে পড়েছিল গ্যালারি। রেকর্ড সংখ্যক দর্শক ছিল। সেই সংখ্যা ৯২,০৪৫।
ম্যাচের প্রথম দিনে ১০ মিলিমিটার ঘাস থাকায় পিচে পেস বোলাররা দাপট দেখান। অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ১৫২ রানে অলআউট হয়। জবাবে ইংল্যান্ডও মাত্র ১১০ রানে থামে। ১৯০৯ সালের পর এই প্রথম অ্যাশেজের কোনও টেস্টের প্রথম দিনেই এত উইকেট পড়ে। পিচ নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। টানা তিন টেস্টে হারের পর আত্মবিশ্বাস ফিরল ইংল্যান্ডে। সিডনিতে শেষ টেস্টে তারা নামবে আত্মবিশ্বাস নিয়ে।

