বিশ্বকাপের শুরুতে অনেকেই ইংল্যান্ডকে এবারের আসরের অন্যতম ফেভারিট মনে করেছিলেন। কেউ কেউ তাদের ‘কালো ঘোড়া’ হিসেবেও দেখছিলেন। কিন্তু টুর্নামেন্টের প্রথম তিন ম্যাচে ইংরেজদের পারফরম্যান্স সেই প্রত্যাশার সঙ্গে একেবারেই সঙ্গতিপূর্ণ নয়। নেপালের বিরুদ্ধে কষ্টার্জিত জয়, ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হার—সব মিলিয়ে চাপে ছিল দল। তবে শনিবার ইডেনে স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৫ উইকেটের জয় অন্তত পরের রাউন্ডে যাওয়ার পথটা অনেকটাই সহজ করে দিল হ্যারি ব্রুকদের।
ইডেনে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করে স্কটল্যান্ড তোলে ১৫২ রান। ইনিংসের শুরু থেকেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারায় তারা। তবু অধিনায়ক রিচি বেরিংটন ও মাইকেল জোনস লড়াই চালিয়ে যান। বেরিংটন ৩২ বলে ৪৯ এবং জোনস ২০ বলে ৩৩ রান করে দলকে সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দেন। ইংল্যান্ডের হয়ে আদিল রশিদ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন।
১৫৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। মাত্র ১৩ রানে দুই ওপেনার ফিরলে চাপে পড়ে যায় ব্যাটিং বিভাগ। রানও উঠছিল ধীরগতিতে। ঠিক তখনই হাল ধরেন জেকব বেথেল ও টম ব্যান্টন। তাঁদের ৬৬ রানের জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। বেথেল ৩৩ রানে আউট হলেও ব্যান্টন দুর্দান্ত হাফসেঞ্চুরি করে দলকে এগিয়ে রাখেন। তবে বেথেলের পর অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক দ্রুত ফিরে গেলে ফের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
শেষদিকে স্যাম কারানের ২০ বলে ২৮ রানের কার্যকরী ইনিংস ম্যাচে স্থিরতা আনে। তাঁর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের সুবাদেই সম্ভাব্য অঘটন এড়ায় ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে তারা।
বাংলাদেশের বদলি হিসেবে প্রস্তুতি ছাড়াই বিশ্বকাপে আসা স্কটল্যান্ড যেভাবে প্রতিটি ম্যাচে লড়াই করছে, তা প্রশংসনীয়। তবে এই কষ্টার্জিত জয় ইংল্যান্ডের জন্য বড় স্বস্তির। পরের রাউন্ডের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার সুযোগ পেল ।

