সিরিজের শেষ দু’টি ম্যাচে পরপর হার। প্রথম তিন ম্যাচে যে দাপট দেখিয়ে নিউজিল্যান্ডকে কোণঠাসা করে দিয়েছিল ভারত, শেষ দু’টি ম্যাচে সেই ছবিটাই বদলে গেল। রবিবার হ্যামিল্টনে পঞ্চম টি-টোয়েন্টিতে ৭ উইকেটে হারল শ্রেয়স আইয়ারের দল। যদিও পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ৩-২ ব্যবধানে জিতেই মাঠ ছাড়ল ভারত। ঈশান কিষান ও শ্রেয়স আইয়ারের ঝোড়ো ব্যাটিংও শেষ পর্যন্ত কাজে এল না। টিম সেইফার্ট ও গ্লেন ফিলিপ্সের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে সহজ জয় তুলে নিল কিউয়িরা।
টস জিতে প্রথমে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় নিউজিল্যান্ড। শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারতীয় দল। মাত্র ১ রানে অভিষেক শর্মা এবং ৪ রানে সঞ্জু স্যামসন ফিরে যান। সেখান থেকে পালটা লড়াই শুরু করেন ঈশান ও শ্রেয়স। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডের বোলারদের চাপে ফেলে দেন দু’জনে। মাত্র ৩২ বলে ৬১ রান করেন ঈশান। তাঁর ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৫টি ছক্কা। অন্যদিকে, মাত্র ২৩ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন অধিনায়ক শ্রেয়স। ৩টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৫০ রান করেন তিনি। কিন্তু এই দুই ব্যাটার ফিরে যেতেই ফের ভেঙে পড়ে ভারতের ইনিংস।
নমন ধীর ২৩ বলে ৩৩ এবং নীতীশ কুমার রেড্ডি ২২ রান করে লড়াই চালান। শেষ দিকে আর বড় রান যোগ হয়নি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৯১ রানেই থামে ভারতের ইনিংস। নিউজিল্যান্ডের অ্যাডাম মিলনে ১৯ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ভারতীয় ব্যাটিংয়ের কোমর ভেঙে দেন। নাথান স্মিথ পান ২টি উইকেট।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ফিন অ্যালেনকে হারালেও চাপে পড়েনি নিউজিল্যান্ড। টিম সেইফার্ট ও ড্যারিল মিচেল দ্রুত রান তুলতে থাকেন। মিচেল ১৬ বলে ২৯ রান করে ফিরলেও অপ্রতিরোধ্য ছিলেন সেইফার্ট। ১১টি চার ও ৫টি ছক্কায় মাত্র ৪৩ বলে ৯৩ রান করেন তিনি। অন্যদিকে গ্লেন ফিলিপ্স ৩৮ বলে ৬৫ রানে অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৩টি ছক্কা। ১৬৮ রানের মাথায় সেইফার্ট ফিরলেও ততক্ষণে জয়ের ভিত তৈরি হয়ে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ১৮ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড। ভারতের হয়ে নীতীশ ও অর্শদীপ একটি করে উইকেট পান।
সিরিজ জিতলেও শেষ দু’ম্যাচের হার ভারতীয় বোলিংয়ের দুর্বলতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিল।

