ভোটার তালিকা থেকে ১৫ শতাংশ নাম বাদ, রামলীলা ময়দান থেকে তোপ রাহুল গান্ধীর

নয়াদিল্লি : ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন এবং একাধিক রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ব্যাপক ‘ভোট চুরি’ ও কারচুপির গুরুতর অভিযোগ তুলে কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বেনজির আক্রমণ শানালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে ‘ইন্ডি’ জোটের মেগা সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, ২০২৪-এর সাধারণ নির্বাচনের পর দেশের প্রায় ১৫ শতাংশ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা স্পষ্ট প্রমাণ করে যে ওই নির্বাচন সম্পূর্ণ বেআইনি ছিল।

রামলীলা ময়দানের বিশাল জনসমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কংগ্রেস সাংসদ বলেন, “২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর ভারতের মোট ভোটারের ১৫ শতাংশ নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর সোজাসাপ্টা অর্থ হলো—২০২৪ সালের নির্বাচন ছিল একটি বেআইনি নির্বাচন। এটা ছিল চুরি করা নির্বাচন। আর এই কথা আমি একা বলছি না, খোদ নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যানেই এই তথ্য উঠে এসেছে।”

নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাহুল গান্ধী আরও বলেন, “এই দেশে বছরের পর বছর ধরে ধারাবাহিক ভাবে ভোট চুরি চলছে। মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন—এই সমস্ত নির্বাচনেই ভোট চুরি করা হয়েছে।”

কারচুপির কার্যপদ্ধতির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, “ইভিএম-এর মাধ্যমে এবং সুপরিকল্পিত ভাবে ভোটার তালিকা থেকে নির্দিষ্ট নাম বাদ দিয়ে কিংবা নতুন নাম ঢুকিয়েই এই বিপুল ভোট চুরির নীলনকশা বাস্তবায়িত করা হয়েছে।” বিরোধী ঐক্যের এই মহার্যালি থেকে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া রক্ষার দাবিতে দেশবাসীকে সোচ্চার হওয়ার ডাক দেন রাহুল গান্ধী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

10 − two =