টাইব্রেকারে পাঞ্জাব বধ বাগানের, শিল্ড ফাইনালে ডার্বির হাতছানি

পেনাল্টি শুটআউটে পাঞ্জাব এফসিকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে উঠল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান। রবিবার নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত ৩০ মিনিট মিলিয়েও ম্যাচের ফলাফল হয়নি। শেষ পর্যন্ত পেনাল্টি শুটআউটে বাজিমাত করে সবুজ-মেরুন।

শুরু থেকেই মোহনবাগান আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। তৃতীয় মিনিটেই লালিয়ানজুয়ালা ছাংতের শট সামান্য দিক বদলালেও পাঞ্জাবের গোলরক্ষক অর্শদীপ সিং তা সামলে নেন। কয়েক মিনিট পর আশিস রাইয়ের পাস থেকে লি আরউইনের শটও পাঞ্জাবের রক্ষণ আটকে দেয়। ফ্রি-কিক থেকেও আরউইন বিপদ তৈরি করেছিলেন, কিন্তু অর্শদীপ দুর্দান্ত সেভ করেন।

প্রথম ১৫ মিনিটের চাপ সামলে ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে পাঞ্জাব। বাঁ দিক দিয়ে ম্যাংলেনথাং কিপগেন আক্রমণে গতি বাড়ান। ২১ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে প্যাট্রিক বাহানাকের হেড অল্পের জন্য বাইরে যায়। এরপর বিষ্ণু শর্মার পাস থেকে আলফ্রেড মোয়ার শটও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৩৭ মিনিটে বিষ্ণুর নিচু শট মোহনবাগান গোলরক্ষক বিশাল কাইথের হাতে জমা পড়ে।

দ্বিতীয়ার্ধেও লড়াই ছিল সমানে সমান। বিরতির পর নামা মহম্মদ সুহাইল দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে শট নিলেও অল্পের জন্য গোল হয়নি। ৬১ মিনিটে ডান দিকের ক্রস থেকে মোয়ার হেড গোলে ঢোকার বদলে জালের উপরের অংশে লাগে। ৮৫ মিনিটে সুভাসিশ বসুর হেডে মোহনবাগান গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়।

অতিরিক্ত সময়েও কোনও দল গোল করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টিতে। সেখানে রাফায়েল মেসি বউলি, অর্শবীর সিং, রিশিকান্ত মেইতেইরা পাঞ্জাবের হয়ে গোল করলেও বিশাল কাইথ দু’টি শট ঠেকান। মোহনবাগানের হয়ে আলবার্তো রদ্রিগেস এবং মিগুয়েল ফেরেইরা গোল করে দলকে ফাইনালে পৌঁছে দেন।

ফাইনালে মোহনবাগানের প্রতিপক্ষ হবে ইস্টবেঙ্গল ও নর্থইস্ট ইউনাইটেডের দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ী। ইস্টবেঙ্গল জিতলে কলকাতা ডার্বির সম্ভাবনাও তৈরি হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

14 − five =