দক্ষিণ দিনাজপুর : তৃণমূলের মিথ্যা ও লুটের দোকান এবার বন্ধ হতে চলেছে, দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমুন্ডির নির্বাচনী জনসভা থেকে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের ভোট ভয়কে পরাজিত করার লড়াই; এটি আস্থার ওপর ভিত্তি করে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লড়াই। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে এসেছি, তৃণমূলের ভয়ের রাজত্ব এবার শেষ হতে চলেছে। তৃণমূলের মিথ্যা ও লুটের দোকান এবার বন্ধ হওয়ার মুখে। ভয় বাংলা ছেড়ে বিদায় নেবে, এখন বাংলায় ফিরে আসবে আস্থা।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “এই তৃণমূল সরকার গত ১৫ বছর ধরে এখানে ক্ষমতায় রয়েছে। এই ১৫ বছরে তারা কী করেছে? এখন আপনারাই ভেবে দেখুন—যদি ১৫ বছরে তারা কিছুই না করে থাকে, তবে তাদের আরও ৫ বছর সময় দিয়ে আপনারা কি আদৌ কিছু পাবেন? বাংলার জন্য তারা উন্নয়নের কোন মডেলটি উপহার দিয়েছে? তারা এই ১৫ বছরের প্রসঙ্গই তোলে না; কারণ তা করলেই তৃণমূলের মিথ্যাচার, তৃণমূলের বিশ্বাসঘাতকতা এবং তৃণমূলের অপকর্মের আসল চিত্র সবার সামনে উন্মোচিত হয়ে পড়বে। গত ১৫ বছরে, তৃণমূল কেবল একটিই মডেল গড়ে তুলেছে। আর তা হলো—এখানে ‘সিন্ডিকেট’ই সরকার এবং ‘সরকার’ই সিন্ডিকেট।”
প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও বলেন, “মাঠের লড়াইয়ে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঐতিহাসিক। জয়ের লক্ষ্যে উভয় দলই নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দেয়। আর জি কর মেডিকেল কলেজে যখন এক চিকিৎসক কন্যার প্রতি অবিচার করা হলো এবং তাঁকে হত্যা করা হলো, তখন বাংলার প্রতিটি পরিবার ও প্রতিটি যুবক রাজপথে নেমে এসেছিল। এমনকি মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলও রাজ্যের কন্যাদের ওপর নেমে আসা এই নৃশংসতার বিরুদ্ধে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছিল। মেয়েদের প্রতি সংঘটিত প্রতিটি অবিচার এবং প্রতিটি ধর্ষণের মামলার নথি পুনরায় খোলা হবে। অপরাধী কিংবা অপরাধীদের আড়ালকারীদের—কাউকেই রেয়াত করা হবে না। তাঁদের চিহ্নিত করে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।”

