শনিবার কেরালা ব্লাস্টার্স এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচে আবারও কাঙ্ক্ষিত তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারল না ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের একেবারে শেষ মূহুর্তে অতিরিক্ত সময় চলাকালীন গোল করে সমতায় ফেরে কেরালা। জেতা ম্যাচ যুবভারতীতে ১-১ গোলে ড্র ইস্টবেঙ্গলের। এক পয়েন্টেই সন্তুষ্ট থাকতে হল লাল-হলুদ ব্রিগেডকে। সেই সঙ্গে যে মানের ফুটবল খেললো লাল-হলুদ ব্রিগেড তা নিয়ে কোচ অস্কার ব্রুঁজো খুব একটা সন্তুষ্ট হতে পারবেন না। ১৩ হাজারেরও বেশি ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা হতাশ হয়ে ম্যাচ শেষে ‘গো ব্যাক অস্কার’ স্লোগান দিলেন। কোচ অস্কারের বিদায় চাইছেন সমর্থকরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই হতাশাজনক ফুটবল খেলা শুরু করে। সউল খেলেন প্রথম একাদশে। প্রত্যাশা মতোই পিভি বিষ্ণুকে লেফট ব্যাকে খেলান অস্কার। ম্যাচের শুরুতেই সুযোগ পেয়ে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। ৯ মিনিটে রশিদ পাস দেন এডমুন্ডকে। বল পেয়ে এডমুন্ড ক্রস বাড়ায় ইউসেফকে। কেরালার ডিফেন্ডার আইবান বক্সের ভিতর ফাউল করেন ইউসেফকে। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি। পেনাল্টি থেকে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড এজ্জেজ্জারি। গোল করার পর ডাগআউটে এসে কোচ অস্কারকে আলিঙ্গন করলেন তিনি। হয়তো মাঠে নামার আগে কোচকে গোল করবেন বলে কথা দিয়েছিলেন তিনি। কেরালাও খুব একটা জোরালো আক্রমণ করেনি। ১৮ মিনিটে বিপিন ক্রস বাড়ায় ইউসেফকে। সেখান থেকে পিছনে থাকা সউল ক্রেস্পোকে ব্যাক পাস দেন তিনি। সউলের শট গোলপোস্টের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। ২৫ মিনিটে সুযোগ তৈরি করে কেরালা ব্লাস্টার্স। কেভিন ইয়োক ইস্টবেঙ্গলের দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে শট নেন, বাঁচিয়ে দেন লাল-হলুদ গোলকিপার গিল।
৪৩ মিনিটে কর্ণার কেরালার ইবিনদাসের কর্ণার থেকে ফাল্লোও -এর হেড গোলে রাখতে পারলেন না। ৫২ মিনিটে এডমুন্ড পাস দেন এজ্জেজ্জারিকে, সহজ সুযোগ নষ্ট করলেন তিনি।
এরপরই ক্রেস্পোকে তুলে সৌভিককে নামালেন। ৬৫ মিনিটে এডমুন্ডকে তুলে জয় গুপ্তাকে নামালেন কোচ অস্কার। বিষ্ণুকে উইংয়ে পাঠিয়ে জয় গুপ্তা লেফট ব্যাকে চলে গেলেন। ৭৫ মিনিটে আবারও সুযোগ পায় ইস্টবেঙ্গল। ইউসেফের দূরপাল্লার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। একের পর এক সু্যোগ নষ্ট করতে থাকে দুই দলই। অতিরিক্ত সময়ে মহম্মদ আজসলের গোলে সমতায় ফিরল কেরালা ব্লাস্টার্স। ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা গো ব্যাক অস্কার স্লোগান দিল, টিম বাস বেরোনোর সময়েও ক্ষুব্ধ লাল-হলুদ জনতা।

