এবারের আইএসএলে স্বপ্নের মতো শুরু করেছিল ইস্টবেঙ্গল। প্রথম দুই ম্যাচে জয়, তারপরই ছন্দে ব্যাঘাত ঘটে ইস্টবেঙ্গলের। জামশেদপুরের কাছে হারের পর বৃহস্পতিবার এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র। যুবভারতী থেকে পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে পারল না অস্কার ব্রুঁজোর ছেলেরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই গোলের একাধিক সুযোগ তৈরি করেও জালে বল জড়াতে ব্যর্থ ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলাররা। ম্যাচের মাঝেই এদিন মাঠে ঢুকে পড়ে সারমেয়। তার মধ্যেই অবশ্য চলছিল খেলা। ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে বিকেল পাঁচটার সময় নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। পাশাপাশি রোজা রাখার জন্য খেলোয়াড়রা ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন, এই কথাও বলেছিলেন তিনি। এদিনও ম্যাচে তেমনটাই হল। ইউসেফ এজ্জেজারি সহ বাকি আক্রমণ ভাগ নিষ্প্রভ। বিপিনের ক্রস থেকে সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট করলেন ইউসেফ। মিগুয়েলও ছন্দে ছিলেন না। এফসি গোয়ার হয়তো বাধাধরা জয় হাতছাড়া হল। বরিসের শট পোস্ট লেগে ফিতে আসে। এই ড্র লিগে অনেকটাই পিছনে ফেলে দিল লাল-হলুদ ব্রিগেডকে। দ্বিতীয়ার্ধে এডমুন্ড লালরিন্ডিকাকে তুলে নামানো হয় অ্যান্টন সজবার্গকে। নাওরেম মহেশের জায়গায় নাম্বন পিভি বিষ্ণু। তবুও ইস্টবেঙ্গলের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। ৮২ মিনিটে আনোয়ার আলি বল বাড়ান বাঁ দিকে থাকা পিভি বিষ্ণুকে। তিনি বলটা সেন্টার করেন ইউসেফকে। ঠিকঠাক না রাখতে পারায় বল চলে যায় বিপক্ষ গোলকিপার হৃতিশ তিওয়ারি সহজেই ধরে নেন। তবে গোয়ার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পয়েন্ট হারিয়েও খুব একটা চিন্তিত নন কোচ অস্কার ব্রুঁজো। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, “দল ভালো খেলেছে, বিশেষত প্রথমার্ধে। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। রক্ষণাত্মক ফুটবলের থেকে যেটা সব সময় ভালো। সামনে অনেক ম্যাচ বাকি রয়েছে, সেই দিকেই তাকাতে হবে আমাদের।”

