রঞ্জিতে ইতিহাস জম্মু ও কাশ্মীরের

২৮ ফেব্রুয়ারি জম্মু ও কাশ্মীর ক্রিকেটের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকল। ১৯৫৯-৬০ মরসুমে প্রথমবার রঞ্জি ট্রফি-তে অভিষেকের দীর্ঘ ৬৬ বছর পর অবশেষে দেশের সর্বোচ্চ ঘরোয়া ট্রফির স্বাদ পেল জম্মু ও কাশ্মীর। অধিনায়ক পরাস ডোগরা-র নেতৃত্বে শক্তিশালী কর্নাটক-কে কার্যত দমিয়ে দিয়ে ২০২৫–২৬ মরসুমের রঞ্জি ট্রফি জয় নিশ্চিত করে নেয় তারা। কর্নাটকের হুব্বলিতে অবস্থিত KSCA ক্রিকেট গ্রাউন্ড-এ অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে প্রথম ইনিংসে বিশাল লিডই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। প্রথম ইনিংসে জম্মু ও কাশ্মীর তোলে ৫৮৪ রান। তিন নম্বরে নেমে শুবম পুন্ডিরের ১২১ রানের ইনিংস ছিল ভিত্তি। এছাড়া ডোগরা (৭০), ইয়াওয়ার হাসান (৮৮), আবদুল সামাদ (৬১), কনহাইয়া ওয়াধাওয়ান (৭০) ও সাহিল লোত্রা (৭২) অর্ধশতরান করে কর্নাটক বোলারদের সাত সেশন ধরে মাঠে ঘাম ঝরাতে বাধ্য করেন। জবাবে কর্নাটক প্রথম ইনিংসে বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। আউকিব নাবির পাঁচ উইকেটের সুবাদে জম্মু ও কাশ্মীর নেয় ২৯১ রানের লিড। দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুতে ধাক্কা খেলেও কামরান ইকবাল একপ্রান্ত আগলে রাখেন। শেষ দিনে ইয়াওয়ার হাসান ও সাহিল লোত্রার শতরানে আর কোনও সংশয় থাকেনি। পরিস্থিতি এতটাই একপেশে হয়ে যায় যে কর্নাটক অধিনায়ক দেবদত্ত পাডিক্কাল মূল বোলারদের তুলে নিয়ে রাহুল, নায়ার ও আগরওয়ালকে বল করান। ঐতিহাসিক এই মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে হুব্বলিতে উপস্থিত ছিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। শেষ পর্যন্ত জম্মু ও কাশ্মীর ৩৪১/৪ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করলে ম্যাচের ইতি টানা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

sixteen + 15 =