কলকাতা : ভোটের প্রাক্কালে নিরাপত্তা প্রস্তুতিতে বড়সড় রদবদল। মার্চ মাসের প্রথম দশ দিনের মধ্যেই দুই দফায় রাজ্যে ঢুকছে মোট ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ১ মার্চ প্রথম পর্যায় এবং ১০ মার্চ দ্বিতীয় পর্যায়ে বাহিনী পৌঁছবে। ইতিমধ্যেই জেলাভিত্তিক বণ্টন ও মোতায়েনের খসড়া তৈরি হয়েছে।
প্রথম দফা: ১ মার্চ (মোট ২৪০ কোম্পানি)
সিআরপিএফ – ১১০
বিএসএফ – ৫৫
সিআইএসএফ – ২১
এসএসবি – ২৭
আইটিবিপি – ২৭
দ্বিতীয় দফা: ১০ মার্চ (মোট ২৪০ কোম্পানি)
সিআরপিএফ – ১২০
বিএসএফ – ৬৫
সিআইএসএফ – ১৬
এসএসবি – ১৯
আইটিবিপি – ২০
দুই দফা মিলিয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ৪৮০ কোম্পানি। সংবেদনশীল ও অতিসংবেদনশীল বুথ চিহ্নিত করে সেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাহিনী নামানো হবে। পাশাপাশি রুট মার্চ, এরিয়া ডমিনেশন এবং কুইক রেসপন্স টিম গঠনের পরিকল্পনাও চূড়ান্ত পর্যায়ে।
নির্বাচন কমিশন ঘনিষ্ঠ এক আধিকারিকের কথায়, “ভোটার যেন নির্ভয়ে বুথে যেতে পারেন, সেটাই প্রধান লক্ষ্য। আগাম মোতায়েন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে।” এক শীর্ষ পুলিশকর্তা জানিয়েছেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের মধ্যে সমন্বয় রেখে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি হচ্ছে।”
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও স্পষ্ট। বিরোধী শিবিরের দাবি, “অবাধ ভোট নিশ্চিত করতে শক্ত নিরাপত্তা আবশ্যক।” পাল্টা শাসক শিবিরের বক্তব্য, “অতিরিক্ত বাহিনী এনে অযথা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।”
সব মিলিয়ে মার্চের শুরু থেকেই রাজ্যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা উপস্থিতি চোখে পড়বে—এমনটাই প্রশাসনিক মহলের ইঙ্গিত।

