টানা ১০টা সেট এর আগে হেরেছেন জানিক সিনারের কাছে। যাঁকে হারালেন, তিনি জোকারের থেকে ১৪ বছরের ছোট। বিশ্বের দু’নম্বর প্লেয়ার। ৫ ঘণ্টার লড়াই হাঁটুর বয়সী ছেলের সঙ্গে এ ভাবেও জেতা যায়! ওপেন এরা তাঁর নামের পাশে ‘বুড়ো’ তকমা বসিয়ে দিক, তাতেই বা ক্ষতি কী! বুড়ো হাড় এখনও ভেল্কি দেখাতে জানে। গত কয়েক বছর ধরেই অপেক্ষায় রয়েছে টেনিস দুনিয়া, কোয়ার্টার সেঞ্চুরি দেখবে বলে। ওপেন এরায় এমনটা আর কেউ পারেননি। সার্বিয়ান কবে করবেন? খেতাবের কাছে যান, ফিরে আসেন। মুঠো শক্ত হয়। কিন্তু অধরা থেকে যায় খেতাব। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে উঠে সেই তাঁকেই কাঁদতে দেখল দুনিয়া।
১৬টা ব্রেক পয়েন্ট সেভ করলেন। হার দিয়ে সেমিফাইনালটা শুরু করেছিলেন জোকার। ৩-৬এ ভয়ঙ্কর সিনার। নোভাক কোণঠাসা। ঠান্ডা মাথায় ভাবছেন, ম্যাচে ফিরতে হলে লড়াই রাখতে হবে কোর্টে। পরের সেটেই উল্টে দিলেন স্কোর বোর্ড। ৬-৩এ এবার ১-১ জোকারের। খেলাটা ওখান থেকেই যেন শুরু হল। সিনার আগ্রাসী। জকোভিচ অভিজ্ঞ। সিনার এক-একটা সার্ভ আছড়ে পড়ছে কোর্টে। জোকার কখনও ফেরাচ্ছে, কখনও পয়েন্ট দিচ্ছেন তরুণ প্রতিপক্ষকে। তৃতীয় সেটটা আবার খোয়ালেন। মিস্টার নাম্বার ফোর তবু ফাঁক খোঁজার চেষ্টা চালালেন। পেলেন চতুর্থ সেটে। জিতলেন ৬-৪।
সার্ভিস ভেঙে মনোবল গুড়িয়ে দেওয়া বিপক্ষের। শেষ পর্যন্ত শেষ পয়েন্টটার খেলা। একটু শর্ট সার্ভিস…। ব়্যালি…! সিনার ফেরাতে পারলেন না জোকারের জবাব!

