নরহরির গোলে উত্তরাখণ্ডকে হারাল বাংলা

নাগাল্যান্ডের বিরুদ্ধে চার গোলের দুরন্ত জয় দিয়ে সন্তোষ ট্রফির মূলপর্ব শুরু করেছিল বাংলা। ম্যাচের একেবারে শেষ মূহুর্তে নরহরি শ্রেষ্ঠার গোলে উত্তরাখণ্ডকে হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নেয় বাংলা। গোটা ম্যাচ জুড়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। বাংলাকে আটকে দিতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছে গোটা উত্তরাখণ্ড দল। শেষমেশ তারা সফল হয়নি। দলে একটি পরিবর্তন করতে হয় বাংলার কোচ সঞ্জয় সেনকে। গত ম্যাচে গোড়ালিতে হালকা চোট পেয়েছিলেন উত্তম হাঁসদা। তাঁর বদলে প্রথম একাদশে শুরু করেন সুময় সোম।

ম্যাচের শুরু থেকেই ধ্বংসাত্মক ফুটবল খেলা চালিয়ে যায় উত্তরাখণ্ড। এদিনও দুই দলকে প্রায় আড়াই ঘন্টা পথ পেরিয়ে স্টেডিয়ামে আসতে হয়েছে। সেই ক্লান্তি ও উত্তরাখণ্ডের ফুটবলারদের খেলার ধরণে যেন কিছুক্ষণ ছন্দ হারিয়ে ফেলেছিল বাংলা। নরহরি শ্রেষ্ঠা পরিবর্ত হিসেবে নেমে দুরন্ত গোলে বাংলাকে জেতালেন। ম্যাচ শেষে বাংলার কোচ সঞ্জয় সেন জানালেন, এই ধরনের ম্যাচের জন্য তারা প্রস্তুত ছিল। প্রতিদিন চার গোল হবে না, এই ম্যাচটাও ভুলে গিয়ে সামনে রাজস্থান ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকবে তার দল। অন্যদিকে রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে গেলেন উত্তরাখণ্ডের কোচ যতীন সিং বিস্ত। দ্বিতীয়ার্ধে বক্সের ভিতর বাংলার এক ফুটবলারের হ্যান্ডবল থেকে পেনাল্টির আবেদন করেন উত্তরাখণ্ডের ফুটবলাররা। রেফারি তা নাকচ করে দেন। ঘটনা নিয়ে উত্তরাখণ্ডের কোচ বলেন, “বাংলা দলের চাপে নাকি অন্য কারোর চাপে রেফারি হ্যান্ডবল দিল না, তা আমার অজানা।” যদিও নিজের দলের ছেলেদের আগে থেকেই সতর্ক করেছিলেন তিনি, বাংলা এই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী দল, ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা চ্যাম্পিয়নের মতোই খেলেছে। বাংলাকে সমীহ করে তিনি আরও জানালেন, বাংলার দুই ক্লাব ইস্টবেঙ্গল ও মহামেডানে খেলেছেন ফলে কোচ সঞ্জয় সেনকেও ভালো ভাবে চেনেন এবং সম্মান করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

12 − eleven =