তবে মাঠপর্যায়ে চাপ কম নয়। একাধিক জেলার আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, বিপুল পরিমাণ তথ্য যাচাই বাকি রয়েছে। কয়েকজন ডিইও বৈঠকে অতিরিক্ত সময়ের আবেদনও করেন। তাঁদের বক্তব্য, তথ্যের অসঙ্গতি খতিয়ে দেখতে আরও কয়েক দিন প্রয়োজন। কমিশনের এক কর্তা বলেন, “নির্ভুল তালিকা তৈরি করাই প্রথম লক্ষ্য। তাড়াহুড়ো করে ভুল রেখে দেওয়া চলবে না।” যদিও একই সঙ্গে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, সময়সীমা অটুট থাকবে।
উচ্চ আদালতের তত্ত্বাবধানে তথ্যগত অসামঞ্জস্য সংক্রান্ত অভিযোগ দ্রুত মেটাতে জেলা বিচারকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁদের কাজে সহায়তা করবেন কমিশনের মাইক্রো অবজ়ার্ভার ও রাজ্য নিযুক্ত আধিকারিকেরা। অর্থাৎ প্রশাসনিক ও বিচারিক— দুই স্তরেই নজরদারি জোরদার।
কমিশন সূত্রে ইঙ্গিত, নির্ধারিত দিনে মূল তালিকা প্রকাশিত হবে। পরবর্তী পর্যায়ে যাঁদের নথি যাচাই সম্পূর্ণ হয়নি, তাঁদের নিয়ে আলাদা সংযোজনী তালিকা আনা হতে পারে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে ভোটার তালিকা ঘিরে চাপানউতোরের মধ্যেই স্পষ্ট বার্তা— সময় নষ্টের অবকাশ নেই, দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগও নেই।

